এনআইডি যাচাই কীভাবে কাজ করে — আর কেন এটিই আসল পার্থক্য
আমারজীবন-এ প্রতিটি প্রোফাইল বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে যাচাই করা হয়। কী জমা দিতে হয়, কতদিন লাগে, আর আপনার তথ্য কীভাবে সুরক্ষিত থাকে — পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ ভাষায়।
পাত্র-পাত্রী খোঁজার সবচেয়ে বড় ভয়টা কী? ভুয়া প্রোফাইল। ছবি একজনের, নাম আরেকজনের, আর পেছনে হয়তো কেউই নেই। আমারজীবন-এ এই ভয়টাই আমরা প্রথমে দূর করেছি: প্রতিটি সদস্যকে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে যাচাই হতে হয়।
কী জমা দিতে হয়
- এনআইডি কার্ডের সামনের দিকের একটি স্পষ্ট ছবি
- চাইলে পেছনের দিকও — যাচাই আরও দ্রুত হয়
- একটি সেলফি, যাতে আমাদের সিস্টেম মুখ মিলিয়ে নিশ্চিত হতে পারে কার্ডটি আপনারই
পুরো প্রক্রিয়াটি অ্যাপের ভেতরেই হয় — ক্যামেরা খুলবে, ফ্রেমে কার্ড ধরবেন, ব্যস। বেশিরভাগ যাচাই ১–২ কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
আপনার তথ্য কতটা সুরক্ষিত
এনআইডি ছবিটি এনক্রিপ্ট করে রাখা হয় এবং ৯০ দিন পর স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা হয়। আপনার অ্যাকাউন্টে শুধু "যাচাইকৃত" স্ট্যাটাসটি থেকে যায় — কার্ডের ছবি বা নম্বর অন্য কোনো সদস্য কখনো দেখতে পান না। আমরা কারও ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করি না, কখনোই না।
অভিভাবকের এনআইডি — বাড়তি আস্থার সিল
বিয়ে আমাদের সমাজে পুরো পরিবারের সিদ্ধান্ত। তাই আমারজীবন-এ বাবা-মা, ভাই-বোন বা মুরুব্বি কেউ নিজের এনআইডি দিয়ে আপনার প্রোফাইল সহ-স্বাক্ষর করতে পারেন। যে প্রোফাইলে অভিভাবকের সিল আছে, অন্য পরিবারগুলো সেটিকে আলাদা চোখে দেখে — কারণ এর মানে, পরিবার আগে থেকেই জানে এবং পাশে আছে।
যাচাই ছাড়া কী কী করা যায় না
যাচাই ছাড়া প্রোফাইল ব্রাউজ করা গেলেও আগ্রহ পাঠানো, চ্যাট করা বা ছবি দেখার সুবিধা সীমিত থাকে। এটাই ইচ্ছাকৃত — আপনি যাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন, তাঁরা সবাই বাস্তব, যাচাইকৃত মানুষ।
আজই বিনামূল্যে প্রোফাইল খুলুন — যাচাই শেষ হলে আপনার প্রোফাইলে উঠবে সেই সবুজ সিল, যা হাজারো পরিবারের আস্থার প্রতীক।