রহিম ও আয়েশা · ঢাকা · ঢাকা
ঢাকার দুই পরিবার, একটি যাচাইকৃত প্রোফাইল, আর ছয় মাসেই বিয়ে
“অভিভাবকের সিলটি এমন কিছু করেছে যা কোনো চ্যাট মেসেজ পারত না — দুই পরিবারকে এক ঘরে এনে বসিয়েছে।”
মিরপুরের ৩১ বছর বয়সী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রহিম দুই বছর ধরে নানা ম্যাট্রিমনি সাইটে খুঁজছিলেন — কিন্তু প্রতিটি প্রোফাইল ঘিরেই থাকত অনিশ্চয়তা। আমারজীবন-এ এসে তাঁর ধারণা বদলে দিল একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: প্রতিটি প্রোফাইলে এনআইডি যাচাইয়ের সিল, আর অনেকগুলোতে পাশে অভিভাবকের সিলও।
আয়েশার প্রোফাইলটি ছিল তেমনই একটি। তাঁর বড় ভাই নিজের এনআইডি দিয়ে প্রোফাইলটি সহ-স্বাক্ষর করেছিলেন — রহিমের মা সঙ্গে সঙ্গেই এর মানে বুঝে নেন। "এর অর্থ, ওর পরিবার আগে থেকেই সঙ্গে আছে," তিনি বলেন। প্রথম কথাবার্তা হয় অ্যাপের ভেতরে; দ্বিতীয়টি হয় দুই মায়ের মধ্যে।
এনগেজমেন্টের আগে দুই পরিবার দু’বার সামনাসামনি বসে — একবার ধানমন্ডিতে, একবার মিরপুরে। কোনো চমক ছিল না, কারণ গুরুত্বপূর্ণ কিছুই লুকানো ছিল না: পড়াশোনা, পেশা, পারিবারিক পটভূমি আর প্রত্যাশা — সবই প্রথম দিন থেকে প্রোফাইলে ছিল।
প্রথম আগ্রহ পাঠানোর ছয় মাস পর, নভেম্বরে তাঁদের বিয়ে হয়। দুজনের প্রোফাইলই এখন বন্ধ — একটি ম্যাট্রিমনি প্রোফাইলের সমাপ্তি ঠিক এমনই হওয়া উচিত।