অভিভাবকদের জন্য
বিয়েতে দুই পরিবার যুক্ত হয়, তাই দুজনের কথা ভেবেই বানানো। আপনি সত্যিই খোঁজায় অংশ নিতে পারেন।
আপনি কী করতে পারেন
সন্তানের প্রোফাইলে নিজের এনআইডি যুক্ত করুন। অন্যরা দেখবে পেছনে একজন অভিভাবক আছেন।
কাকে বাছাই করা হয়েছে ও খোঁজা কেমন চলছে দেখেন। ব্যক্তিগত বার্তা ব্যক্তিগতই থাকে।
সম্বন্ধ সিরিয়াস হলে পরিবার কথা বলে। আগে দুই পক্ষের যাচাই আমরা নিশ্চিত করি।
কোনো সম্বন্ধ নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে রিপোর্ট করুন। আমাদের একজন সেটা পড়েন।
যেসব দুশ্চিন্তা
না। এখানে সবাই বিয়ের জন্যই এসেছেন, প্রোফাইলে শুধু শখ নয় — ধর্ম, পরিবার ও ঘর নিয়ে পরিকল্পনার কথা জিজ্ঞেস করা হয়, আর দুই পক্ষ রাজি হলেই কেবল কথা শুরু হয়। কোনো সোয়াইপ নেই, অচেনা মানুষের ছবি এমনি এমনি দেখাও নেই।
না। ছবি কখনও খোলা ইন্টারনেটে থাকে না — সেগুলো যায় মেয়াদি সুরক্ষিত লিংকে, তাই কেউ কপি করে বসাতে, তুলে নিতে বা সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে পেতে পারে না। কে দেখবে সেটা সে ঠিক করে, আর যখন খুশি আবার লুকিয়ে ফেলতে পারে।
দুটোর কোনোটাই না। যৌতুক চাওয়া আমাদের নিয়মভঙ্গ, আর তাতে অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়। বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইনে এটা অপরাধও — যে চায় এবং যে দেয়, দুজনেরই।
একদমই না। সবকিছু ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাতেও আছে, লেখা বড় করা যায়, আর একটা ফোনে বসেই একসঙ্গে প্রোফাইল ভরা যায়। আটকে গেলে আমাদের সহায়তা দল বাংলায় উত্তর দেয়।
একসঙ্গে প্রোফাইল বানান। ফ্রি, দশ মিনিট, আর দুজনে রাজি না হলে কিছুই দেখা যায় না।