নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি ম্যাট্রিমনি: কুইন্স, ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কস
নিউ ইয়র্ক মেট্রো এলাকায় থাকেন প্রায় ১,১০,০০০ বাংলাদেশি — আমেরিকার আর কোনো শহরে এত নয়। কুইন্স, ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসের পরিবারগুলো এখন আসলে কীভাবে বিয়ে ঠিক করছে।
নিউ ইয়র্ক মেট্রো এলাকায় থাকেন প্রায় ১,১০,০০০ বাংলাদেশি — আমেরিকার আর কোনো শহরে এত নয়। কুইন্স, ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসের পরিবারগুলো এখন আসলে কীভাবে বিয়ে ঠিক করছে।

কেনসিংটনের চার্চ অ্যাভিনিউতে এক মা বাংলা সাইনবোর্ডওয়ালা দোকান থেকে শুঁটকি কেনেন, বাংলা ভাষার একটি ডে কেয়ার আর ঢাকার টিকিটের বিজ্ঞাপন দেওয়া ট্রাভেল এজেন্টের পাশ দিয়ে হেঁটে এগারো মিনিটে বাড়ি পৌঁছে যান। তাঁর ছেলের বয়স একত্রিশ, পেশায় অ্যাকাউন্ট্যান্ট, আর সে এ বছরেই দুবার বলেছে — আরেকটি রোববার বিকেলের সম্বন্ধের আসরে বসার চেয়ে সে নিজেই কাউকে খুঁজে নিতে চায়। মা এখন রাজি হয়েছেন, একটি শর্তে: পরিবারটি কারা, সেটি তিনি জানতে চান।
এই সমঝোতাটাই — তুমি খোঁজো, যাচাই আমরা করব — এখন নিউ ইয়র্কের হাজার হাজার বাংলাদেশি ঘরে চলছে। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশিদের বিয়ে পরিবার থেকে ব্যক্তির হাতে চলে যায়নি। এটি গিয়ে দাঁড়িয়েছে মাঝামাঝি এক জায়গায় — আর যেসব ঘরে এই ব্যবস্থাটা মুখ ফুটে বলা হয়, ফলাফল সেখানেই সবচেয়ে ভালো।
আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের তথ্য বিশ্লেষণ করে পিউ রিসার্চ সেন্টার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ প্রায় ২,৭০,০০০ জন, আর এর মধ্যে প্রায় ১,১০,০০০ জনই থাকেন নিউ ইয়র্ক মেট্রো এলাকায় — অন্য যেকোনো মেট্রোর চেয়ে অনেক বেশি, এবং দেশজুড়ে মোট সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। পুরো হিসাব আছে পিউয়ের যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের ফ্যাক্ট শিটে।
যাঁরা খুঁজছেন, তাঁদের জন্য এই ঘনত্বই সবচেয়ে কাজের তথ্য। আমেরিকার বেশিরভাগ জায়গায় এক ঘণ্টার দূরত্বে উপযুক্ত বাংলাদেশি মুসলিম পরিবার পাওয়া সত্যিই কঠিন। নিউ ইয়র্কে তা নয়। এখানে সমস্যা সংখ্যার নয় — বাছাইয়ের, আর ভরসার।
কেনসিংটনের একটি পরিবার আর পার্কচেস্টারের একটি পরিবারের দূরত্ব সাবওয়েতে এক ঘণ্টা, আর সামাজিকভাবে যেন দুই রাজ্যে। হাতছাড়া হওয়া সম্বন্ধগুলোর বেশিরভাগ এই ফাঁকটাতেই পড়ে থাকে।
পিউয়ের তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি প্রাপ্তবয়স্কদের ৭১ শতাংশই বিবাহিত — এশীয় বংশোদ্ভূত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ হারগুলোর একটি। মধ্যম বয়স ৩৩, প্রায় ৭১ শতাংশ বিদেশে জন্মগ্রহণকারী, আর ২৫ বছরের বেশি বয়সীদের প্রায় অর্ধেকেরই স্নাতক বা উচ্চতর ডিগ্রি আছে।
সংখ্যাগুলো পাশাপাশি রাখলে একটি নির্দিষ্ট ছবি দাঁড়ায়। এই সম্প্রদায়ে বিয়ে প্রায় সর্বজনীন, প্রত্যাশা উঁচু, আর যাঁরা খুঁজছেন তাঁদের বড় অংশ ত্রিশের কোঠার পেশাজীবী — আমেরিকার উচ্চশিক্ষা পার করে আসা এই মানুষগুলো অচেনা কারও সম্পর্কে দুই বাক্যের বর্ণনা মেনে নেবেন না। তাঁরা বিস্তারিত জানতে চান, আর সেটাই স্বাভাবিক।
বাবা-মায়ের প্রজন্ম এসেছিলেন আত্মীয়সূত্রে আর ডাইভার্সিটি ভিসায়, নিজ জেলার মানুষের কাছাকাছি বসতি গেড়েছিলেন, আর বিয়ে হয়েছিল দেশের আত্মীয়দের মাধ্যমে বা কুইন্সের সমিতি-নেটওয়ার্কে। এটি কাজ করত, কারণ নেটওয়ার্কটি এত ছোট ছিল যে সবাই সবাইকে চিনত।
দ্বিতীয় প্রজন্ম আলাদা, তিনটি নির্দিষ্ট দিক থেকে। তাঁরা বিয়ে করছেন দেরিতে। পরিবার যুক্ত হওয়ার পরে নয়, আগেই তাঁরা মানুষটির সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান। আর দেশে না দেখে বিয়ে করতে তাঁরা অনেক কম রাজি, কারণ সেভাবে হওয়া সম্বন্ধগুলোতে দুই পক্ষেরই খাপ খাওয়ানোর কষ্ট তাঁরা চোখের সামনে দেখেছেন।
এর কোনোটির মানে এই নয় যে পরিবার প্রক্রিয়ার বাইরে। বাস্তবে নিউ ইয়র্কের বেশিরভাগ সম্বন্ধই সিরিয়াস হওয়ার আগে আত্মীয়দের মাধ্যমে যাচাই হয়। বদলেছে কেবল ক্রমটি: আলাপ শুরু করেন দুজন, আর যাচাই করে পরিবার — উল্টোটা নয়।
নিউ ইয়র্কের অনেক পরিবার এখনো দুই পক্ষের উপস্থিতিতে ঢাকা, সিলেট বা চট্টগ্রামে নিকাহ পড়ায়। তা করলে অনুষ্ঠানের মতোই কাগজপত্রকেও গুরুত্ব দিন।
কাবিননামা ও বিয়ের সনদের মন্ত্রণালয় অ্যাটেস্টেশন নিয়ে এই বাংলা আলোচনাটি বাংলাদেশে অ্যাটেস্টেশনের ধাপগুলো পরিষ্কার করে বলে, আর এতে অনেকগুলো বিভ্রান্ত ফোনকল বেঁচে যায়। পুরো প্রক্রিয়াটি আছে প্রবাসে নিকাহ লেখায়।
এসবের বেশিরভাগই প্রথম ফোনালাপে নয়, লিখিত বায়োডাটায় থাকা উচিত। কী লিখবেন আর কোনটা সামনাসামনি বলাই ভালো, তা আছে বিয়ের বায়োডাটা কীভাবে লিখবেন লেখায়।
হাডসনের ওপারেই নিউ জার্সি, যেখানে বিশেষত প্যাটারসন ও আটলান্টিক সিটি ঘিরে নিজস্ব বড় বাংলাদেশি জনপদ আছে। কানেটিকাট, লং আইল্যান্ড ও হাডসন ভ্যালিতেও গত পনেরো বছরে কুইন্স থেকে সরে আসা অনেক পরিবার আছে। দেড় ঘণ্টার গাড়ির পথ বাধা নয়; বন্ধ খোঁজটাই বাধা।
মানচিত্র বড় করতে চাইলে শুরু করুন নিউ জার্সিতে বাংলাদেশি ম্যাট্রিমনি দিয়ে, আর পাত্র বা পাত্রী এখনো বাংলাদেশে বা অন্য দেশে থাকলে প্রবাসী ম্যাট্রিমনি দিয়ে।
amarjibon দেশে ও প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের জন্যই বানানো একটি ম্যাট্রিমনি প্ল্যাটফর্ম। প্রতিটি প্রোফাইল এনআইডি ও লাইভনেস সেলফি দিয়ে যাচাই করা — প্রবাসে এর গুরুত্ব আরও বেশি, কারণ ঢাকার কোনো পাড়ায় গিয়ে নিজে খোঁজ নিয়ে আসার সুযোগ আপনার নেই। এটি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই, আর প্রথম আলাপ থেকেই পরিবার যুক্ত থাকতে পারে।
নিউ ইয়র্কের সম্বন্ধে যা সত্যিই মিল ঠিক করে, সেসব ধরেই ফিল্টার করা যায় — নিজ জেলা ও উপজেলা, ধর্মচর্চার মাত্রা, শিক্ষা, পেশা, অভিবাসন স্ট্যাটাস, আর কেউ শুধু মেট্রো এলাকায় খুঁজছেন নাকি সারা দেশে। পেছনে মিলের কাজটি করে PremEngine। প্রোফাইল খোলা বিনামূল্যে, বেশি সুবিধা চাইলে পেইড প্ল্যানও আছে, আর আপনি নিজে না চাইলে ফোন নম্বর গোপন থাকে।
**amarjibon.com-এ বিনামূল্যে প্রোফাইল খুলুন, অথবা অ্যাপটি নামিয়ে নিন Google Play বা App Store থেকে।** বিয়ে, সিরিয়াসভাবে।
কথা চলছে, পরিবারও জড়িয়েছে। এরপর কী? দেখা করার সময় →
এই বিষয়ে পাঠকেরা যা সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করেন।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের হিসাবে নিউ ইয়র্ক মেট্রো এলাকায় প্রায় ১,১০,০০০ বাংলাদেশি থাকেন, আর যুক্তরাষ্ট্রে মোট সংখ্যা প্রায় ২,৭০,০০০। সবচেয়ে বড় কেন্দ্রগুলো কুইন্সের জ্যাকসন হাইটস, এলমহার্স্ট, জ্যামাইকা ও হলিস, ব্রুকলিনের কেনসিংটন এবং ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার ও ক্যাসল হিল।
বাংলাদেশে বৈধভাবে নিবন্ধিত বিয়ে সাধারণত বৈধ হিসেবেই গণ্য হয়, তবে আপনার কাছে নিবন্ধিত কাবিননামা, সত্যায়িত ইংরেজি অনুবাদ ও যথাযথ অ্যাটেস্টেশন চাওয়া হবে। শর্ত বদলায়, তাই ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সর্বশেষ নির্দেশনা পড়ুন, আর অভিবাসন আবেদনের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
হ্যাঁ, ব্যাপকভাবেই, আর তা ছাড়ার কোনো কারণও নেই। সমিতি ও আত্মীয়দের নেটওয়ার্ক কোনো পরিবার আসলে কেমন তা বলার ক্ষেত্রে খুব ভালো, নতুন কারও সঙ্গে পরিচয় করানোর ক্ষেত্রে দুর্বল। বেশিরভাগ পরিবার এখন দুটোই করে: পরিধি বাড়াতে অনলাইনে খোঁজে, আর যাচাই করতে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।
না। amarjibon বিয়ের উদ্দেশ্যে তৈরি একটি ম্যাট্রিমনি প্ল্যাটফর্ম। প্রোফাইল এনআইডি ও লাইভনেস সেলফি দিয়ে যাচাই করা, প্রথম থেকেই পরিবার যুক্ত থাকতে পারে, প্ল্যাটফর্মটি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই, আপনি না দিলে ফোন নম্বর গোপন থাকে, আর প্রোফাইল খোলা বিনামূল্যে।

কানাডার সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি সমাজ টরন্টোতে, আর এর বেশিরভাগই এসেছেন গত কুড়ি বছরে। এই দুটি বিষয় মিলেই ঠিক করে দিচ্ছে এখানে বিয়ের ব্যাপারটা এখন কীভাবে চলে।

মালয়েশিয়ায় আট লাখেরও বেশি বাংলাদেশির ওয়ার্ক পারমিট, সিঙ্গাপুরে আরও প্রায় দেড় লাখ। প্রায় সবাই পুরুষ, আর পারমিটে পরিবার নেওয়ার সুযোগ নেই — তাই বিয়ের খোঁজটা চলে দেশ থেকেই। কাজটা গুছিয়ে করার উপায়।

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী ছোট, তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত — আর সেখানে বাংলাদেশি নারী প্রায় নেই বললেই চলে। এই ঘাটতি আর ভিসার নিয়মই ঠিক করে দেয় এখানকার বিয়েগুলো বাস্তবে কীভাবে হয়।
যাচাই করা প্রোফাইল, অভিভাবক স্বাগত, আর আপনি না বলা পর্যন্ত কিছুই শেয়ার হয় না। দেখতে কোনো খরচ নেই।
ফ্রি প্রোফাইল বানান